স্প্যানিশ সুপার কোপা পুনরূদ্ধার রিয়াল মাদ্রিদের

স্প্যানিশ সুপার কোপা পুনরূদ্ধার করলো রিয়াল মাদ্রিদ। ১২০ মিনিট গোল শূন্য থাকার পর অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে টাইব্রেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে একাদশ বারের মত শিরোপা জিতলো জিদানে দল।

কোচ হিসেবে যে কোন আসরের ফাইনালে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখলেন জিনেদিন জিদান। নয়বার শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচের সবগুলো জয় জিদান শীষ্যদের। আর তাতেই আবারো শিরোপা পুনরূদ্ধার রিয়াল মাদ্রিদের।

অথচ সুপার কোপা খেলার কথাই ছিলোনা রিয়াল মাদ্রিদের। ফরম্যাটে পরিবর্তন এনে প্রথমবারের মত চার দলের এ আসরে লিগ চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ আর কোপা দেলরের দুই ফাইনালিস্টের অংশ নেয়ার কথা। দু জায়গাতেই বার্সেলোনার নাম থাকায় লিগের তৃতীয় সেরা দল হিসেবে আসর খেলার সুযোগ পেয়েছিলো রিয়াল। যা কিনা দারুন ভাবে কাজে লাগায় লস ব্লাঙ্কোরা

ম্যাচের শুরুতে ৫ম ও ৯ম মিনিটে গোল আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন রিয়ালের ক্যাসেমিরো ও মদ্রিচ। তবে তাদের দু’জনেরই শট সরাসরি গিয়ে জমে গোলরক্ষক ওবলাকের হাতে।

অ্যাটলেটিকোও পালটা আক্রমণ করেছে। তবে সেগুলো রিয়ালের জন্য কোনো বিপদের কারণ হতে পারেনি। প্রথমার্ধ্বের মত দ্বিতীয়ার্ধ্ব ছিলো নিষ্প্রাণ। অবশ্য ম্যাচে গোলের সবচাইতে সহজ সুযোগটা পেয়েছিলেন মোরাতা ৮০তম মিনিটে। কিন্তু এবারও ব্যর্থ হন কোর্তোয়াকে পরাস্ত করতে।

শিরোপা নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও ছিলো দু’দলের ব্যর্থ সব আক্রমণের গল্প। উত্তেজনা জমা ছিল ম্যাচের শেষ প্রান্তে। ১১৫ মিনিটে একা বল নিয়ে ছুটছিলেন মোরাতা। নিশ্চিত গোলের সামনে থাকা এ অ্যাটলেটিকো স্ট্রাইকার রুখতে ফাউল করেন ফেডেরিকো ভালভার্দে। এ মিডফিল্ডার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও দু’দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে দেখা দেয় উত্তেজনা।

তবে সেই উত্তাপ কিংবা ১ জন বাড়তি খেলোয়াড়ের সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি দিয়েগো সিমিওনের দল। ফলাফলের জন্য যেতে হয় পেনাল্টি শ্যুট আউটে।

ভাগ্যের পরীক্ষায় জয় হয়েছে রিয়ালেরই। তাদের কারভাহাল, মদ্রিচ, রদ্রিগো, রামোস সবাই করেছেন গোল। অন্যদিকে কাইরেন ট্রিপিয়ার গোল করলেও ব্যর্থ হন সাউল ও থমাস। এতেই নিশ্চিত হয় রিয়ালের একাদশ সুপার কাপ শিরোপা।

জেন ও ব্ল্যাককে বোকা বানিয়ে অধিনায়ক সার্জিও রামোসের পেনাল্টিতে জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের।