সল্টলেক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশী দর্শকের খেলা দেখার অভিজ্ঞতা

0
93

অনলাইনের টিকিট সংগ্রহ করলাম ‘আমুল আইল্যান্ড’র উল্টো দিক থেকে। আইল্যান্ড শুনলেই যেমন দ্বীপ মনে হয় এইটা ওই রকম না। তবে সড়ক দ্বীপ। এক হকার কে জিজ্ঞেস করলাম পাঁচ নম্বর গেটটা কোন দিকে। বললো উল্টা দিকে বাইপাসের পাশে। মনে পড়লো গতকাল কালিকাপুর যাওয়ার সময় এই পথেই গিয়েছিলাম।

২ নম্বর গেট এ এসে আবার জিজ্ঞেস করলে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন যেদিকে দেখালো, সেদিক দিয়ে ঘুরে পাঁচে আসতে দুই কিলোমিটার প্রায়! শালে কামিনে!

যাক ঢুকলাম সিট অনুযায়ী। দেখি হোম গ্যালারির দর্শকরা ইতোমধ্যে স্ল্যাজিং শুরু করে দিসে। একা বলে ওই রকম জায়গায় যদি নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারি তাই কমন ‘ইন্ডিয়ান গ্যালারি’ থেকে চলে আসছি। এখন জেনুইন অ্যাওয়ে গ্যালারিতে।

পুরো স্ট্যাডিয়ামের চারদিকেই সুনীল ছেত্রীর নাম নাম্বার সহ জার্সি বিক্রি হচ্ছে ‌ এত জার্সি দেশে মেসিরও বিক্রি হয় কী না সন্দেহ। সুনীল তো একদিক থেকে মেসির চেয়েও বড় খেলোয়াড়। জাতীয় দলের গোলের বিবেচনায়। ওই আমুল আইল্যান্ড’র এখানেই এক ফুটপাতে বাফুফের সিল মারা লাল রঙের বাংলাদেশের জার্সি বিক্রি হচ্ছে।আনঅফিসিয়াল তো বটেই কোন কোয়ালিটি সেটাও বিবচ্য না। তবে বাফুফে এই রকম খেলার দিনও জার্সি বিক্রি করতে পারে না। আগ্রহ নাই আরকি।

যাক, গ্যালারি ভড়ে উঠতেছে। বাইরে যে ক্রেজ দেখলাম তা গ্যালারি পর্যন্ত আসলে এই চাপের মধ্যে দল কয়টা খায় এইটাই দেখার বিষয়। অবশ্য মন বলতেছে আজ দারুণ কিছু হইতেও পারে।

অতিথি লেখক: ইলিয়াস কমল