লা লিগার শীর্ষস্থানে রিয়াল মাদ্রিদ

0
14

এস্পানিওলকে হারাতে পারলেই এককভাবে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠা যাবে। এমন সমীকরণ মাথায় নিয়েই রবিবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নামে জিদানের শিষ্যরা।

সর্বশেষ স্পেনের সুপার কোপা জেতার পর কোন ম্যাচেই টানা দুই ম্যাচে একই একাদশকে মাঠে নামাননি মাদ্রিদের এই কোচ। সেই ধারা অব্যাহত থাকে এই ম্যাচেও। ইনজুরি থেকে ফিরেই প্রথম একাদশে ডাক পান মিডফিল্ডার ইস্কো।

খেলার শুরুতেই আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে ম্যাচ গড়াতে থাকে। তলানির দল হয়েও বেশ কয়েকবার মাদ্রিদের ডিফেন্সিকে নাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। তবে এক কর্তোয়ার কাছেই যেনো বারবার মুখ থুবড়ে পরেছে এস্পানিওলের আক্রমণ। বাড়তি হিসেবে ছিলো রিয়াল মাদ্রিদের দুর্দান্ত ডিফেন্স।

অন্যদিকে রিয়ালও বেশ কয়েকবার গিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও কখনো নিজেরাই সহজ সুযোগ মিস করেছেন, কখনো বা এস্পানিওলের গোলরক্ষক বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে ম্যাচে প্রথমবারের মতোন এগিয়ে যায় সফরকারীরা। করিম বেনজেমার অসাধারণ এক ব্যাকহিলে নাটমেগ এসিস্টে দুর্দান্ত ফিনিশিং দিয়ে জিদানের দলের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হোন ক্যাসেমারো। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই ডাগ-আউটে ফিরে রামোস বাহিনী।

দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়াস আর রদ্রিগেজকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বরং এস্পানিওলের বিপক্ষে অনেকটাই ধূসর মাদ্রিদকে দেখা গেছে। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই পূর্ণ ৩ পয়েন্ট সহ মাঠ ছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ। আর শেষ পাঁচ ম্যাচেই জয় তুলে নেওয়া জিদানের রিয়াল মাদ্রিদ আপাতত লা-লীগার টেবিলে সবার উপরে।

টানা তৃতীয় ম্যাচে ক্লিনশিট রাখেন থিবো কর্তোয়া। অন্যদিকে লা-লীগায় এ পর্যন্ত ১৭ গোলের পাশাপাশি ৭ এসিস্ট করেছেন করিম বেনজেমা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪১ ম্যাচ খেলে সরাসরি ৩২ গোলেই রেখেছেন অবদান। আপাতত, রিয়াল মাদ্রিদকে একাই যেনো টানছেন এই ফ্রেঞ্চম্যান।

৩২ ম্যাচ শেষে ২১ জয় ও ৮ ড্র নিয়ে ৭১ পয়েন্টে লা-লীগার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বার্সেলোনা।