বিশ্বকাপ ও লাল সবুজের বাংলাদেশ

0
222

এই মুহুর্তে প্রতিটা হৃদয়ে কড়া নাড়ছে উচ্ছাসের ফুটবল বিশ্বকাপ,পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরা, রিক্সাওয়ালা থেকে শুরু করে আমজনতা সব জায়গায় একটাই সুর একটাই আমেজ আর এটা বিস্বকাপের বাঁশির সুর! ৩২ টি দেশ একসাথে যুদ্ধে একই মঞ্চে, এ কেমন লড়াই? এটা হইতো রণাঙ্গনের যুদ্ধ না ঠিকই তবে মাঠের যুদ্ধে ঠিকে থাকার লড়াই, নিজের পরিচায়ক নিজের পতাকাকে বিশ্ব দরবারে উঁচিয়ে ধরার সংগ্রাম। এই প্রজন্মের স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হতে আর কয়েকটা দিন বাকি, খেলার মাঠ থেকেও টানটান উত্তেজনাকর পবিবেশ বন্ধুত্বের আড্ডায় আর তর্ক-বিতর্কে কে কার দলকে যুক্তি খন্ডন অথবা চাপাবাজি করে এগিয়ে রাখার অদ্ভুত প্রতিযোগিতায় নিমগ্ন। প্রিয় দলের জার্সি আর পতাকা সংগ্রহ এ নিয়ে তুমুল ঝড় চারদিকে, কে কার আগে পতাকা উড়াবে, কার থেকে কে কতো বড়ো পতাকা টানবে, সবচেয়ে উঁচুতম স্থানে লাগানোর তীব্র ইচ্ছা আর স্বপ্ন প্রিয় দলের সাফল্য। পত্রিকায় পড়ছিলাম বাইরের দেশে পতাকা উড়ানো নিয়ে হাইকোর্টে একজন রিট করলো,পক্ষে-বিপক্ষে লোকের অভাব নেই। কেউ বলছে বাংলাদেশে কেন অন্যদেশের পতাকা উড়বে! অনেকের কাছে শুধু টাকা নষ্ট করার ধান্ধা আবার কারো কাছে তার শখ, কারো কাছে আবেগ, কারো কাছে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম মাত্র! আমার ধারণা সম্মান আর শ্রদ্ধাবোধ দুটোর থাকে মনের ভিতর, নিজের জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা থাকলে বিদেশি পতাকা লাগালেই আমরা বিদেশের হয়ে যাচ্ছিনা বা বিদেশী সংস্কৃতি ধারণ ও করছি না। প্রিয় দলের প্রতীকি পতাকা শুধুমাত্র সমর্থন এর জন্যে লাগানো। কোথাও তো দেখিনা ভাই বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর-ও পতাকা নিয়ে বাড়াবাড়ি শুধুমাত্র ৪ বছরের পর একটা নিদিষ্ট সময়ের জন্যে এ মহোৎসব। তবে হ্যাঁ, আমার দেশের পতাকাটা যেন থাকে। আর পতাকা বেঁচা-কেনার টাকা কি বিদেশ চলে যাচ্ছে? না, যাচ্ছে না বরং আমার দেশের অর্থনীতির চাকা-ই সচল হচ্ছে। এই সংস্কৃতিই ফুটবলকে চেনাবে, ফুটবলের প্রতি আবেগ আর ভালোবাসা জাগাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কৌতূহলবশত হলেও জানতে চাইবে এ নতুন সাজ, এই বিভিন্ন রঙ-বেরংয়ের পতাকায় ঘেরা মহারণ্য কেন? আর এতেই ফুটবলের পরিচয়।

যাই হোক, সবাই যখন বিশ্বকাপের ৩২ টি দলের মধ্যে তার প্রিয় দলকে নিয়ে ফিচার লিখছে, তখন আমি খুঁজি আমার প্রিয় স্বদেশ লাল সবুজের বাংলাদেশকে। আজ আমি লিখছি ঘুমিয়ে থাকা বাংলাদেশের কথা। হয়তো আমি তোমাদের মতো ভাবতে পারি না তাই একবার ও কি ইচ্ছে জাগে না মনে? ইশ! আমাদের দেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতো! কখনো প্রশ্ন জাগেনা আমার দেশটি নেই কেন এই বিশ্ব আসরের মঞ্চে? জেগেছে কি কখনো? কি জন্যে আমরা পিছিয়ে?

আমাদের গর্ব করার মতো কি নেই? স্যাটেলাইট আছে, আছে সাবমেরিন, আছে এগিয়ে যাবার প্রেরণা, আছে উন্নয়নশীল দেশ গড়ার ইচ্ছা, আছে ক্রিকেট এর সাফল্য। তাহলে কি শুধুই নেই ঘুমিয়ে থাকা অদম্য ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন, নেই কেউ যে এই ভালোবাসার খেলাকে যত্ন করে দায়িত্ব নিয়ে বিশ্বের কাছে পৌছিয়ে দিবে?

ধরলাম বাংলাদেশে কিচ্ছুই নেই, মানবসম্পদ তো আছে! তাই না? আমাদের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে কি মাত্র ১৫-২০ জন মেধাবী ফুটবলার নেই যারা প্রতিনিধিত্ব করবে আমাদের পতাকাকে?

আছে! তাহলে তারা কোথায়?

শুধু ভাবি আর ইতিহাস পড়ি। যে দেশ তার ভাষার জন্যে ৫২-তে হাসিমুখে জীবন বিলিয়ে দিয়েছে, যে দেশ তার স্বাধীনতার জন্যে ৭১-এ এক অস্ত্র সুসজ্জিত বর্বর বাহিনীর সাথে নিরস্ত্র থেকে-ও ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে, সে জাতি কিভাবে ফুটবল নামক প্রেম থেকে সবার থেকে পিছিয়ে থাকে?

 

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল // Source: DBN24.COM

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন আর জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। ফুটবল খেলাটা বুঝতে সহজলভ্য হওয়ায় শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরা ও উপভোগ করে। স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিম দিয়ে প্রথম শুরু হয়েছিলো ফুটবলের অগ্রযাত্রা। জাকারিয়া পিন্টুর নেতৃত্বে কাজী সালাহউদ্দিন, অমলেষ সেনরা মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধাদের সহায়তা করার জন্যে। প্রথম ম্যাচ ছিলো তৎকালীন পশিম বঙ্গের নদীয়া একাদশের বিপক্ষে খেলার ফলাফল ২-২ এ ড্র হয়।১৬-টি প্রীতি ম্যাচ খেলে মুক্তিযোদ্ধা ফান্ডে ৫ লক্ষ টাকা জমা করে। তাদের এই ভিন্নধর্মী চেষ্টা প্রমাণ করে দিয়েছিলো খেলার মাধ্যমেও এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মূখ্য ভূমিকা পালন করা যায়। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল গঠিত হয়েছিলো আন- অফিসিয়ালি ১৯৭২ সালে। ১৯৭৩ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রীতি মাচে ২-২ গোলে ড্র হয় এর পর মালদ্বীপের বিপক্ষে ৮-০ গোলের এক বিশাল জয়, এই অনুপ্রেরণায় আর শক্তিতে উদ্দীপ্ত হয়ে বাংলার দামাল ছেলেরা ১৯৮০ সনে এফসি কোয়ালিফাইংয়ে সবচেয়ে বড় অর্জন গ্রুপ স্টেজ এ চ্যাম্পিয়ন, যেখানে অন্যগ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ছিল ইরান, উত্তর কোরিয়া, চীন, সিরিয়া মতো দল। আর তখন থেকেই মানুষের আশা ভরসা স্বপ্ন দেখা শুরু করে দেয় এই ফুটবল খেলাকে ঘিরে। আবাহনী-মোহামেডান দ্বন্দ্বের কথা কে না জানে? তখনকার সেই সোনালি অতীত। গ্রাম-গঞ্জের মানুষ শুধু এই ঢাকা ডার্বি দেখার জন্যে পাঁড়ি দিতো শত কিলোমিটার। ভ্যান, বাসের ছাদ, ট্রাক্টর ভরে আসা মানুষজনের মিলনমেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারি। ফুটবলের আমেজের শহর হয়েছিলো ঢাকা! হঠাৎ এ যুদ্ধ থেমে যায় বারবার নাশকতা আর ক্ল্যাশের কারণে। ধীরে ধীরে দর্শক হারিয়ে যাচ্ছে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাওয়ার দৃশ্য আজ-ও চোখে লেগে আছে। গ্যালারি ভর্তি দর্শক চোখের শান্তি। আহ! এ যেন সুখকে বরণ করে নেয়ার উত্তেজনা। আরিফ খান জয় তখনকার তারকা ফুটবলার ছিল, বারবার ক্যামেরা তাকে ফোঁকাস করছিলো। এটা দেখে বুঝি যে সবচেয়ে ভালো প্লেয়ার মনে হয়! আহ! কি আনন্দ আকাশে বাতাসে! বিটিভিতে খেলা দেখাচ্ছিল আর এটাই দেখে মনে মনে ভেবেছিলাম ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো যদি বাংলাদেশও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলে তবে কেমন হয়? এরপর ফুটবল ঘুমিয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে গন্তব্যহীন পথে! একের পর এক ব্যর্থতা আর নানা দুর্নীতির যাঁতাকলে পড়ে ঢাকা থেকে ফুটবল হারিয়ে গেছে। আর তখন থেকেই ক্রিকেট এর জয়গান শুরু, আর এখন ক্রিকেট এর জয়োৎসবের এর ছাঁয়ায় পড়ে ফুটবল লুকিয়ে গেছে লজ্জার শাড়ি পড়ে!

হ্যা অনেক ব্যর্থতা রয়েছে,হ্যা রয়েছে অনেক গ্লানি আর আমার আপনার দায়বদ্ধতা। বাফুফের একের পর এক লক্ষ্যমাত্রা ফ্লপ হচ্ছে আর ফুটবলটা ওই যত্নহীন মাঠেই পড়ে আছে। তবে এতোসব হা-হুতোশের মাঝে একটাই ভালো সংবাদ আছে বয়স ভিত্তিক পর্যায়ে সফলতা। এইতো ২০১৫-তে সাফ অনুর্ধ্ব ১৬ সাফ চ্যাম্পিয়ন হলো আমাদের মেয়েরা। ফুটবলে ছেলেরা যেভাবে পিছিয়েছে, মেয়েরা ঠিক উল্টে পথে এগিয়েছে। মেয়েদের ফুটবলে সফলতা এলে ও সব আবার ঘুরে ফিরে হারিয়ে যায় যত্ন আর পরিচর্যার অভাবে। যখন খবরে দেখি লোকাল বাসে করে মেয়েদের বাড়ি পৌছে দিতে গিয়ে কোমলমতি কিশোরীরা লাঞ্ছনার শিকার হয়, যখন দেখি সাধারণ জ্বরে একজন ফুটবলার মারা যায়। তখন এই অকাল কুষ্মান্ড বাফুফেকে গালি দিতে ইচ্ছে করে!

দেশের হয়ে অনুর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে খেলা মেয়েরা //Source: The Daily Star

 

কেউ একজন দৈত্য হয়ে আসুক বাংলার এই ঘুমন্ত ফুটবল কে জাগানোর জন্য। সরকারী-বেসরকারি সংস্থা, মিডিয়া , স্পন্সরশীপ এর পৃষ্ঠপোষকতা আর আমার আপনার হাতটা এগিয়ে দিলে সোনালি অতীত ফিরে পাওয়া আর প্রতিযোগীতার বাজারে টিকে থাকাটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। ফুটবল উন্নয়ন ৩-৪ বছরে হবে না। এক যুগের পরিচর্যার সক্ষমতা নিয়ে আগালে একটা ফলাফল অন্তত আসবে। স্কুল ফুটবল শুরু হোক, বয়সভিত্তিক দল গুলোর পরিচর্যা হোক আধুনিক ফুটবলের অধীনে।যেখানে একটা ফুটবল একাডেমী নেই সেখানে কিভাবে ফুটবলের পাইপলাইন হবে? সবার আগে ফুটবল একাডেমী টা প্রয়োজন। আপনি আমি কয়জন-ই বা বাংলাদেশের ফুটবলার ২/৩ জনের বেশি নাম জানি? তাদেরকে দিয়ে বিজ্ঞাপন করান, সবার সামনে নিয়ে আসেন। এই দায়িত্ব মিডিয়ার যেমনটা ক্রিকেটে করেছেন। শিশুরা পর্যন্ত প্রতিটি ক্রিকেটারের নাম জানে। কারণ, প্রচারণা! ছোট বাচ্চারা যখন আপনাকে জিজ্ঞেস করবে বাংলাদেশে কি কোন ফুটবলার নেই? বাংলাদেশে কি কোনো ফুটবল টিম নেই? তখন আপনি কি বলবেন ভালো খেলেনা ফুটবল টিম তাই ১৯৭ নাম্বারে?! এই লজ্জাবোধ নিয়ে হলে ও ভালোবাসোন নিজের দেশের ফুটবল খেলাকে।

আমাদের মানবসম্পদ আছে। মেধা আছে। শুধু প্রয়োজন চর্চার আর উপযুক্ত দক্ষতাকে সঠিক ব্যবহার করার।
যখন পত্রিকায় টিভিতে দেখি বার্সেলোনা ক্লাব বাংলাদেশে ফুটবল স্কুল খুলবে, যখন দেখি ব্রাজিলের সিবিএফ বাংলাদেশের ফুটবলে কাজ করতে চায়, যখন দেখি সৌদি আরব ক্রীড়া চুক্তি করতে চায়, ক্রিকেটের বিনিময়ে ফুটবল উন্নয়নে কাজ করতে চায়। তখন আশা আর ভরসা পাই! আর বসে থাকি কখন এসব বাস্তবায়িত হবে তার অপেক্ষায়।

আমরা কেন বিশ্বকাপ খেলবো না। যেখানে বরফের রাজ্যে ফুটবলের রুপকথা রচিত হয়েছে। হ্যাঁ, আমি আইসল্যান্ড এর কথা বলছিলাম। ছোট একটি দেশ যার জনসংখ্যা ৩৩৪.২৫২ জন, আয়তন প্রায় ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার। যা আমাদের দেশের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ মাত্র! যদি ওরা পারে তবে আমরা পারবো না কেন?

যদি উত্তর আফ্রিকার ছোট একটি দেশ তিউনিসিয়া বিশ্বকাপ খেলে, আমরা নয় কেন?

সালহউদ্দিন, কায়সার হামিদ,মোনায়েম মুন্নার মতো কিছু নতুন প্রজন্মের সুপারস্টার বেরিয়ে আসুক, দর্শক শুধু তাদের খেলা দেখার জন্যে গ্রাম-গঞ্জে স্টেডিয়াম পাড়ায় আবার ভীড় জমাবে। ফুটবলে একজন মাশরাফি প্রয়োজন যে যুগের পরিবর্তন করে দিবে, একজন সালাহ প্রয়োজন যে একাই নিজের দেশকে পরিচয় করিয়ে দিবে বিশ্বমঞ্চে। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতে দেখতে কিছুটা ক্লান্ত এবার একটু বিকেলের বারান্দায় চেয়ারে বসে চা নিয়ে অংক কষি- আমার বয়স ৩৮ বছর সাল ২০৩৮ বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং চলছে একদল দামাল বেপরোয়া তরূণ সব বাধা পেরিয়ে এশিয়ান অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে! এই অনুভূতি টা অতিরিক্ত আবেগের হাসিমুখের জল আসার ন্যায়। তখন থেকে দেশের পতাকা ও বিক্রি হবে পাল্লা দিয়ে আর লাল সবুজের পতাকাটা হবে ভিনদেশী পতাকার চেয়েও বড়। এই তরুণ তারকায় ভরা দল সবার মন জয় করে নিয়েছে।আবার ঢাকায় ফুটবলের আমেজ জন্মেছে তবে এটা অতীতের আবাহনী মোহামেডান নয়। এটা নর্থ ঢাকা আর সাউথ ঢাকার লড়াই, হুম এটাই নতুন ঢাকা ডার্বি। প্রতিটি বড় বড় শহরের নামে দল এ যেন লন্ডনের সভ্যতা আমাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। ততোদিনে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যাবে। অনেক অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম হবে, প্রিয় দলের জার্সি পড়ে সমর্থন দিতে! এমন দিনে বাংলাদেশ বুঝে যাবে ফুটবল আসলেই খেলা নয়, এটা আবেগ! এটা এন্টারটেইনমেন্ট! এটা ব্যবসা আর এটাই গ্লোবালাইজেশন অফ স্পোর্টস।

চলুন না বিশ্বকাপের আমেজকে কাজে লাগিয়ে নিজের দেশের মরিচা ধরা ফুটবলকে একটু বাঁচিয়ে তুলি।

আর বিশ্বকাপের আসরে আমার অস্তিত্ব, আমার অহংকার লাল সবুজের পতাকা উড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববাসীকে পরিচয় করিয়ে দেই নতুন করে। আর বুকে হাত রেখে প্রিয় দলের সমর্থক হয়ে বলি

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি!

 

___________________________________

লিখেছেন

দীন মোহাম্মদ