দীর্ঘ মেয়াদে টটেনহ্যামকে গড়ে তুলতে চান হোসে মরিনহো

দীর্ঘ মেয়াদে টটেনহ্যামকে গড়ে তোলার আশা ব্যক্ত করেছেন কোচ হোসে মরিনহো। কারণ ইচ্ছা করলেই তিনি ট্রান্সফার মার্কেটে এই ক্লাবের জন্য বড় অর্থ ব্যয় করতে পারবেন না।

গত নভেম্বরে তিনি টটেনহ্যামের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু স্পার্সে যোগ দিয়েই মরিনহো বুঝতে পেরেছেন চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যেভাবে ট্রান্সফার মার্কেটে নিজের শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন সেটা এখানে সম্ভব নয়।

প্রচুর অর্থ ব্যয় করে নিজেদের স্টেডিয়ামটিকে পুন:সংষ্কার করার পর থেকেই টটেনহ্যাম ট্রান্সফার মার্কেটে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করে চলেছে। আর সে কারনেই দলে কিছু কিছু পজিশনে খেলোয়াড়ের অভাব থাকলেও তা নিয়ে কোন কাজ করতে পারছেন না মরিনহো। এমনকি ইনজুরির কারনে এপ্রিল পর্যন্ত দলের বাইনে চলে গেছেন দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হ্যারি কেন ও মৌসা সিসোকো। সমস্যা সত্তেও মরিনহো বলেছেন, দলবদলের বাজারে তারা রাজা হতে পারছেন না।

অপেক্ষাকৃত মিতব্যয়ী টটেনহ্যামের তুলনায় ধণাঢ্য রোমান আব্রামোভিচের চেলসিতে এক অন্য মেয়াদ কাটিয়ে এসেছেন মরিনহো। সে কারণেই মরিনহো বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ক্লাব, এখানে ভিন্নভাবে আমাদের এগুতে হবে। দলবদলের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। আমাকে সময় নিয়ে সব করতে হবে। একসাথে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়।’

খেলোয়াড় চুক্তিতে বড় অর্থ ব্যয় করার সামর্থ্য না থাকলেও টটেনহ্যামকে শীর্ষ চারে ধরে রাখা কিংবা বড় শিরোপা জয়ে স্পার্সদের লক্ষ্য থেকে কিন্তু মরিনহো মোটেই সড়ে আসেননি কিংবা হতাশ হননি। এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই এটা ভিন্ন একটি চ্যালেঞ্জ। আমি মনে করি প্রত্যেকেরই এটি ভিন্নভাবে দেখা উচিত। আমার জন্য বিষয়টি বেশ উপভোগ্য। আমি এখানে বেশ ভাল আছি। কারণ এখানে সবকিছুই বেশ স্পষ্ট। এই মুহূর্তে আমাকে কোন প্রতিশ্রুতিই দেয়া হয়নি। সবকিছুই বেশ সততার সাথে করা হচ্ছে। আমি আমার প্রতিশ্রুতি ক্লাবকে দিয়ে দিয়েছি। যে কারণে আমার ওপরও তাদের আস্থা আছে।’