টাইগারদের জন্য রইলো অনেক শুভকামনা

0
65

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম একটা দিন হতে যাচ্ছে বিধাতা চাইলে দ্যা ভিলেজ, ডাবলিনে। হয়তো বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ ত্রিদেশীয় ট্রফি উচু করে ধরবে।

তবে ফাইনালে বাংলাদেশ দুর্ভাগ্যবশত হেরে যায় তবুও আমাদের সমর্থন আশাকরি টাইগারদের প্রতি অক্ষুণ্ণই থাকবে। কেননা আমরা জানি আমাদের টাইগাররা লড়াইয়ের জন্যই মাঠে নামে। ১৬ কোটি মানুষকে আনন্দে ভাসানোর জন্য মাঠে নামে। তাই তাদের প্রতি অকুণ্ঠ বিশ্বাস আমাদের আছে।

ফুটবলের অন্যতম চারণভূমি ব্রাজিলে নাকি তাদের শিশুরা জন্মের পর প্রথম ইচ্ছে থাকে ফুটবলার হওয়া। কারণ সেই দেশে ফুটবল নাকি ধর্মের সমপর্যায়ের। প্রতিবেশী দেশ ভারতে তো ধর্মের পরেই নাকি ক্রিকেটের স্থান ধরে নেওয়া হয়। আর আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন মর্যাদার একটা আসনে অধিষ্ঠিত।

আবাল বৃদ্ধ বনিতা এখন ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হলে টিভির সামনে বসে পড়ে। কেউবা শোরুমের সামনে দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচ শেষ করে দেই। কোন রিকশাওয়ালা ক্রিকেট প্রেমে একাকার হয়ে বলে, মামা এখন যাবো না ক্রিকেট দেখবো কিছুক্ষণ। কৈশোররা স্কুলের টিফিন ফাঁকি দিয়ে ম্যাচ দেখার জন্য চলে আসে। এভাবেই আমরা আমাদের ক্রিকেটকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি।

আমরা হয়ত ক্রিকেট কে ধর্মের পরে স্থান দিতে পারিনি কিন্তু ঠিকই নামাজে যাওয়ার পূর্বে রিয়াদ-সাকিবের উইকেটে থাকাকালীন যখন ৩৯/৪ দেখি তখন মনের মাঝে এইটা আসে যে- নামাজ টা পড়ে আসি। হয়ত এসে দেখবো নামাজ শেষে ঠিকই সাকিব রিয়াদ ব্যাট করছে এবং দারুণ জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গেছে তখন উপরওয়ালার কাছে শোকরিয়া জ্ঞাপন করি এই বলে আমার প্রার্থনা বৃথা যাইনি।

ঠিক এইভাবে আমরা আমাদের ক্রিকেট কে শ্রদ্ধাবোধ আর ভালোবাসার জাইগায় রাখি। অনেকেই হয়ত বলতে পারে আমাদের ক্রিকেট তো আমাদের এখনো একটা ট্রফি এনে দিতে পারেনি। সে জাইগায় আমি বলবো সময় তো ভাই এখনো শেষ হয়ে যাইনি। ইউরোপের ফুটবলে আমরা দেখে থাকি ২৫ থেকে ৩০ বছর একটা ক্লাব ট্রফি জিতেনা এরপরও তাদের ফ্যান রা ঠিকই ম্যাচ ডে তে এসে প্রিয় ক্লাবের জন্য গলা ফাটিয়ে দেয়। আমরা তাদের মত এখনো লয়্যাল হতে পারিনি কিন্তু স্বপ্ন দেখতে ক্ষতি কি?

আশায় অন্তত বুক বাধি টাইগাররা একদিন আমাদের ট্রফি জয়ের উল্লাসে কাঁদাবে। তাই আমাদের সেই সময়টা পর্যন্ত সমর্থন দিয়ে টাইগারদের অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। দরজায় কড়া নাড়ছে ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ বিশ্বকাপ। টাইগারদের জন্য রইলো অনেক শুভকামনা।

অতিথি লেখকঃ Mohammad Mizanur Rahman