চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

0
11

মুজিব বর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারী নেপালের সঙ্গে গোল শুন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে হিমালয় কন্যাদের বিপক্ষে ২-০ গোলের দাপুটে এক জয় পেয়েছিল জেমি ডে’র শিষ্যরা। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় শুরু হয় সিরিজের দ্বিতীয় ফুটবল ম্যাচ। আগের ম্যাচের দুটি পরিবর্তন নিয়ে আজ একাদশ সাজিয়েছিলেন জেমি ডে’র অনুপস্থতিতে দায়িত্ব পালন করা সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস। শুক্রবারের ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর পরিবর্তে সুযোগ দেয়া হয়েছে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাকে। এছাড়া ডিফেন্ডার রিয়াদুর হাসানের পরিবর্তে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছে ইয়াসিন খানকে।

অপরদিকে আগের ম্যাচের সেরা একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন আনে নেপাল। তারপরও প্রথমার্ধে বলতে গেলে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে সাদ উদ্দিনের ক্রস তালুবন্দী করেন নেপালের গোলরক্ষক কিরন কুমার লিম্বু। কয়েক মিনিট পর তেজ তামাংয়ের দূরপাল্লার শট সহজেই লুফে নেন স্বাগতিক গোল রক্ষক রানা।

এদিন লেফট উইংয়ে নিষ্প্রভ ছিলেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম। যে কারণে রাইট উইং দিয়ে, সাদ উদ্দিনের বদৌলতেই রচিত হয়েছে লাল সবুজদের অধিকাংশ আক্রমন। ২৩তম মিনিটে জীবনের ছোট পাস ধরে ডি-বক্সের বাইরে থেকে সুমন রেজার শট ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। সাত মিনিট পর প্রতি-আক্রমণ থেকে ভালো একটি সুযোগ এসেছিল। কিন্তু জীবনের ক্রসের বলে দুর্বল শটে হতাশ করেন সুমন।

দ্বিতীয়ার্ধেও প্রথমার্ধের মত আধিপত্য বিস্তার করে রাখে স্বাগতিক দল। ম্যাচের শুরুতে পরপর দুটি আক্রমন রচনা করলেও সফল ফিনিশিং টানতে পারেনি জামাল ভুঁইয়ার দল। বার বার খেই হারিয়েছে নেপালের রক্ষনে। এই অর্ধে অবশ্য নেপালও বেশ কয়েকটি প্রতিআক্রমন রচনা করলেও সফলতার দেখা পায়নি সফরকারীরা।

অবশ্য অন্তিম মুহূর্তে নেপালিদের কয়েকটি আক্রমন স্বাগতিকদের ভীত নড়িয়ে দিয়েছিল। একটি শটের বল প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন স্বাগতিক গোলরক্ষক রানা। তবে ভাগ্যদেবীর সহায়তায় বলটি সাইডবারে লেগে ফিরে যায়। এই সময় মিনিট তিনেক বাংলাদেশ সীমানায় ঘুরপাক খাচ্ছিল বল। তবে কোন অঘটন ঘটার আগেই বেজে উঠে রেফারির স্বস্তিময় শেষ বাঁশি। হাফ ছেড়ে বাঁচে স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার দশেক স্বাগতিক সমর্থক। ম্যাচ শেষে পোড়ানো হয় আতশবাজি।