ক্লাব গুলোর ক্যাসিনো কান্ডে কিছুই করার নেই ক্রীড়া মন্ত্রনালয়েরঃ প্রতিমন্ত্রী

ক্লাব গুলোর ক্যাসিনো কান্ডে কিছুই করার নেই ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের, জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তাঁর মতে ক্রীড়া নয় বানিজ্য আর সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের অধীনে লিমিটেড আর ব্যক্তিগত ক্লাব গুলো। ফেডারেশন ও ক্লাবগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনার পক্ষে মন্ত্রী।

ক্যাসিনো ঝড়ে লন্ডভন্ড দেশের ক্রীড়াঙ্গন। সাথে সমালোচনায় মুখর সারা দেশ। খেলাধূলায় বছরের পর বছর অবদান রেখে চলা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদশের বড় ক্লাব গুলো ক্যাসিনো আর অনৈতিক কাজের যে পসরা সাজিয়ে বসেছে তাতে বিব্রত ক্রীড়া মন্ত্রনালয়। তারপরও শুধু চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ অভিভাবকের। কিন্তু কেন?

ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের কাছে ক্লাব গুলোর সরাসরি জবাব দিহীতা না থাকায় রুষ্ঠ জাহিদ আহসান রাসেল। গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন এনে ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশনের সাথে দেশের ক্লাব গুলোকেও এই মন্ত্রনালয়ের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তবে মুমিনুল হক সাঈদ, যুবলীগের এই নেতা শুধুই আরামবাগের কর্তা নন হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকও। আর তাই ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে প্রচলিত আইনী ব্যবস্থার পর ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের কাঠ গড়ায়ও দাঁড়াতে হবে তাকে।

ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতেও উদ্যোগ নিতে চায় ক্রীড়া মন্ত্রনালয়।

এদিকে মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেছে র‍্যাব।

পুলিশ বলছে, কাল তাকে আদালতে নেয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। এর আগে র‍্যাব কার্যালয় থেকে সন্ধ্যায় তেজগাঁও থানায় থেকে আনা হয় লোকমান হোসেন ভুঁইয়াকে। ক্লাবে ক্যাসিনো ভাড়া দেয়ার বিনিময়ে প্রতি মাসে ২১ লাখ টাকা পেতেন লোকমান।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় টাকা পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে।