ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের প্রেক্ষিতে বিসিবির বক্তব্য

বেশ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে হঠাৎ করেই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেটাররা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। আজ সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় আসর বিপিএলে দেশি খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি বৃদ্ধি ও দৈনিক ও ভ্রমণ-ভাতা বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেন ক্রিকেটাররা।

বিষয়টি নজরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেরও (বিসিবি)। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী এ ব্যাপারে বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। পরবর্তী বোর্ড সভা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। বিভিন্ন সময় তাদের নানা দাবি-দাওয়া আসে। আমরা চেষ্টা করি সে সব পূরণ করতে। আজ আমাদের বিষয়টি নজরে এসেছে। অবশ্যই আমরা বোর্ড সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

অবশ্য খেলোয়াড়দের এই আন্দোলনকে বিদ্রোহ বলতে নারাজ নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘খেলোয়াড়েরা বোর্ডেরই অংশ। যেকোনো বিষয়-সমস্যা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।’

অবশ্য বয়সভিত্তিক খেলাগুলো ধর্মঘটের আওতার বাইরে থাকবে বলেও খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন, ‘ক্রিকেটারদের বিষয়টি আরো ভালোভাবে দেখা উচিত। আমরা ক্রিকেটের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা দেখছি না। আমরা শুধু চলমান সিরিজের ওপর নজর রাখি। শুধু বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের বেলায় আমরা হয়তো ছয় থেকে আট মাস আগে থেকে পরিকল্পনা করি। এটা ছাড়া আমরা শুধু চলমান সিরিজ নিয়েই চিন্তা করি।’

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য শক্ত কাউকে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিভাবকদের বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে হবে।