‘এল ক্লাসিকো’তে রিয়াল মাদ্রিদের আধিপত্য

0
49

লা-লিগায় নিজেদের খেলা শেষ ১৯ ম্যাচে মাত্র ১ হার রিয়াল মাদ্রিদের। অপরদিকে প্রতিপক্ষের মাঠে শেষ ৯ ম্যাচেই জয়। এমন সমীকরণ নিয়েই এস্তাদিও আলফ্রেডো ডি স্টেফানোতে এই মৌসুমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামে দুই চিরচেনা প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলেনো।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ প্রতি আক্রমণে ম্যাচ চলতে থাকে। কিন্তু শুরুর সুযোগ টা কাজে লাগায় জিদানের শিষ্যরাই। ভালভার্দে থেকে বল ভাস্কুয়েজের পা হয়ে অসাধারণ এক এসিস্ট কিংবা শেষমুহূর্তে করিম বেনজেমার চোখধাঁধানো ব্যাকহিল। ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এই নিয়ে লা-লিগায় টানা ৭ ম্যাচে গোলের দেখা পেলো করিম বেনজেমা। তবে গোল খেয়েই ম্যাচে ফেরার চেষ্টা শুরু করে মেসি, গ্রীজম্যান রা। কিন্তু ২৮ মিনিটে আবারও ধাক্কা খায় কোম্যানের দল। এবার রিয়ালের হয়ে কাতালানদের জালে বল জড়ান টনি ক্রুস। নিখুঁত ফ্রিকিকে অসাধারণ এক গোল। ম্যাচের প্রথম হাফেই ২-০ এর লিড।

তবে বিরতির আগেই লুকাস ভাস্কুয়েজের ইঞ্জুরি বড় ধাক্কা দেয় জিদানের মাদ্রিদকে। যদিও ২-০ এর লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে যেনো অচেনা এক মাদ্রিদ। প্রথম হাফের ছায়া হয়েই খেলতে থাকে রিয়াল। এরই মধ্যে ভিনিসিয়াসও বেশ কিছু সহজ সুযোগ নষ্ট করে। ৬০ মিনিটে ত আলবার পাস থেকে মিনিকুয়েজার গোলে ম্যাচে প্রথমবারের মতোন গোলেরও দেখা পায় অতিথিরা। মূলত, এরপর রিয়াল মাদ্রিদকে আরও চেপে ধরে কোম্যানের দল। ৯০ মিনিটে এর ষোলকলা পূর্ণ করে ক্যাসিমারোর জোড়া হলুদ কার্ডে মাঠ ছাড়া। যদিও ১০ জনের দলের বিপক্ষে শেষমুহুর্তে আর গোল পায়নি বার্সেলোনা। ফলে ২-১ এর জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

এর ফলে ১৯৭৮ সালের পর লা-লিগায় টানা ৩ এল-ক্লাসিকোতে জয়ের দেখা পেলো গ্যালাক্টিকোরা। ২০০৬/০৭ মৌসুমের পর প্রথম এল ক্লাসিকোর দুইটি লিগ ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলো রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে ৩০ ম্যাচ শেষে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে লা-লিগায় সবার উপরেও তারা। ১ ম্যাচ কম খেলে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে এটলেটিকো মাদ্রিদ। অন্যদিকে ১ পয়েন্ট কমে সমান ৩০ ম্যাচ খেলে টেবিলের তৃতীয় স্থানে বার্সেলোনা।