অবসরের সময় নিজেকে ভাগ্যবানই ভাববঃ লিওনেল মেসি

0
16

দশ বছর আগে প্রথম ব্যালন ডি’অর পেয়েছিলাম। তখন আমাকে চালনা করত আমার তিন ভাই। আজ ছয় নম্বর ট্রফিটা হাতে নিয়ে মনে হচ্ছে, এখন আমার প্রেরণা আমার স্ত্রী এবং সন্তানরা। আন্তোনেল্লা তো একটা কথাই শুধু বলে যায়। জীবনে কখনও স্বপ্ন দেখতে ভুলবে না। ব্যলন ডি’অর জিতে কথাগুলো বলেছেন তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি।

সোমবার প্যারিসে মেসির নামটা ঘোষণা হওয়ার মধ্যে বিশেষ বিস্ময় ছিল না। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, গত মৌসুমে বার্সাকে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন করা মহাতারকা ট্রফিটা জিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে (পাঁচ বার এই পুরস্কার পেয়েছেন) ছাপিয়ে যাচ্ছেন। আপ্লুত মেসির প্রতিক্রিয়াতে হয়তো সেই জন্যই বিরাট কিছু বিস্ময় ছিল না।

২০০৯ থেকে শুরু। ২০১২ পর্যন্ত টানা চার বার। এ বারের (২০১৯) আগে মাঝখানে আরও এক বার, সেটা ২০১৫ সালে।

পুরস্কারের উদ্যোক্তা ফরাসি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি নিজে বলছেন, ‘ব্যক্তিগত এবং দলের সদস্য হিসেবে এ পুরস্কার আনন্দ দিয়েছে। যতবার মাঠে নামি, ততবার চেষ্টা করি আরও আরও ভালো খেলার। আরও ভালো খেলার ক্ষমতা যে আমার আছে, সেই বি‌শ্বাস কখনও হারাইনি। ব্যালন ডি’অর ট্রফিটা সব সময় আমার কাছে বিশেষ একটা ব্যাপার। কিন্তু এখনও আমার কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য দলগত কোনও ট্রফি।’

বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার প্রতিটি সদস্য, পরিবার এবং যারা তাকে ভোট দিয়েছেন তাদের সবাইকে মেসি ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘দশ বছর আগে এ ট্রফিটা প্রথমবার পেয়েছিলাম। তখন আমার কাছে সেটা ছিল ভাবনা-চিন্তার বাইরের এক প্রাপ্তি। এখন আমার হাতে ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর। এটাও অন্য রকমের মুহূর্ত।’

ইতোমধ্যেই বলাবলি শুরু হয়েছে, মেসি যে ছন্দে খেলে যাচ্ছেন তাতে পরেরবারও হয়তো তাকেই এ ট্রফি হাতে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে হবে। মেসিও বলেছেন, ‘অবসরের সময় নিজেকে ভাগ্যবানই ভাবব। আরও অনেক দিন খেলতে চাই। কাজটা কঠিন হলেও। তবে সময় দ্রুত চলে যায়। এ সময়টা পরিবার ও ফুটবল ঘিরেই উপভোগ করতে চাই।’